1. admin@rangpurjournal.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন টিসিএ – রংপুর জার্নাল স্টেপ আপ ফর টুমরো সংগঠনের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পিজিয়ন ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ফেন্সিডিলসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক – রংপুর জার্নাল হাতীবান্ধায় হেফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে টেবিল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত স্থলবন্দর শ্রমিক লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত – রংপুর জার্নাল ফাগুন – শফিউজ্জামান আতা রংপুরে চালু হলো সিটি বাস সার্ভিস পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৮০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার ২ রংপুরে ইউনিসেফ এবং সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

রংপুরের বাজার গুলোতে প্রতি নিয়ত বেড়েই চলেছে সবজি ও মাছের দাম

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ৪৭ বার পঠিত

রংপুরের বাজার গুলোতে প্রতি নিয়ত বেড়েই চলেছে সবজি ও মাছের দাম।

মোঃ সাকিব চৌধুরী,

রংপুর মহানগর প্রতিনিধি:

প্রতি নিয়ত বাজার গুলোতে নিত্যপণ্যের দাম ধাপে ধাপে বেড়েই চলেছে। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের শহর রংপুরেও। বাজারে এখনই যে অবস্থা, রোজায় কি হবে তা ভেবে শঙ্কিত রংপুরের সাধারণ মানুষ।

ইতিমধ্যেই ধাপে ধাপে বেড়েছে সবজির দাম। সেই সাথে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লারের কেজি এখন ২৬০ টাকা।

রংপুর নগরীর বৃহৎ কাঁচাবাজার সিটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ধনেপাতা, ফুলকপি ও মটরশুঁটিসহ সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। তবে কমেছে রসুন ও সজনে ডাঁটার দাম। সজনে ডাঁটা ২০০-২২০ টাকা থেকে কমে ১২০-১৪০ টাকা, প্রতি কেজি টমেটো গত সপ্তাহের মতো ২৫-৩০ টাকা, গাজর ২৫-৩০ টাকা, শসা ২৫-৩০ টাকা, চিকন বেগুন ৩৫-৪০ টাকা থেকে কমে ২০ টাকা, গোল বেগুন ৪০-৪৫ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫-২০ টাকা, উচ্ছে ১৬০-১৭০ টাকা থেকে কমে ১১০-১২০ টাকা, লেবু হালি ১৫-২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৩০-১৪০ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৪৫০-৫০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস আকারভেদে ৩০-৪০ টাকা, ধনেপাতার কেজি ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, কাঁচকলা হালি ২৫-৩০ টাকা, প্রতি কেজি মিষ্টিকুমড়া ৩০-৩৫ টাকা, শিম ৩৫-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, বাঁধাকপি ১০ টাকা পিস এবং ফুলকপি ১০-১৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে আদা ১৩০-১৪০ টাকা এবং রসুন ১৩০-১৪০ টাকা থেকে কমে ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সব ধরনের শাকের আঁটি পাওয়া যাচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। মিষ্টি আলু আগের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, পটোল ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫৫-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০-১২০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা এবং মটরশুঁটি ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে নতুন কার্ডিনাল আলু ১৫-১৬ টাকা, শিল ও ঝাউ আলু ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। আর দেশি পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা এবং আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে।

রংপুর সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতা আলম মিয়া বলেন, কোনো কিছুরই দাম কমছে না। বরং বাড়ছে। তাছাড়া আমদানির ওপর নির্ভর করে সবজির বাজার ওঠানামা করছে।

সবজি ক্রেতা মাইছা আক্তার জানান, দীর্ঘ দিন ধরে মাছ-মাংস খাওয়া তো ছেড়েই দিয়েছি। এখন তো দিনে দিনে সবজি কিনাই দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। দিনে তিনবেলা সবজি খেতে গেলেও নিম্ন ১০০-২০০ টাকা লাগে। এভাবে চলা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

অপর সবজি ক্রেতা মামুন মিয়া জানান, এখন তো সবজির মৌসুম। তারপরও দাম কম না। অন্য সময় তো আরও দাম বাড়বে। এখনই সরকারের পক্ষ থেকে মনিটরিং বাড়ানো দরকার।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের থেকে বেড়েছে মুরগির দাম। খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি এখন ২১০-২২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫০-২৬০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩১০-৩২০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৪০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৬০-৪৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪০-৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পাকিস্তানি লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। গরুর মাংস গত সপ্তাহের মতোই ৬৭০-৭০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ৯০০-১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সিটি বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী শামসুল মিয়া জানান, দিন যতই যাবে মুরগির দাম বাড়বে, কমবে না। কেননা, মুরগির বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট। কিছু কোম্পানি খামারিদের কাছ থেকে সরাসরি মুরগি কিনে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে সাধারণ দোকানিরা চড়া দামে মুরগি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে খুচরা বাজারে প্রভাব পড়ছে। আমাদের করার কিছু নাই। এখানে সরকারকে কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে।

বাজারে মুরগি কিনতে আসা আমেনা খাতুন বলেন, ভাই লেখালেখি করে কি হবে। সরকার কঠোর না হলে আরও খারাপ হবে। এখন তো তবু মধ্যবিত্তরা ব্রয়লার কিনতে পারছে, এভাবে চলতে থাকলে সেটাও সম্ভব হবে না। কেননা আগে ব্রয়লার কিনতাম ১০০-১১০ টাকা সেই ব্রয়লার এখন ২৫০-২৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। দেশি মুরগির বাজার তো আরও গরম।

এদিকে মাছের বাজারও কমেনি। আকারভেদে রুই মাছ ২৫০-৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কার্প ২০০-২২০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতলা ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Rangpur Journal
Theme Customized By Theme Park BD