1. admin@rangpurjournal.com : admin :
বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার রচিত “হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এবং শান্তিবৃক্ষ শেখ হাসিনা” দু’টি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন বীর মুক্তিযোদ্ধা “এডভোকেট ইলিয়াস আহমেদ” আর নেই ভাঙ্গার নূরুল্লাগঞ্জে চোর, ডাকাত, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ১ বছর ধরে শিকলে বন্দি আসাদুজ্জামানের জীবন সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুর রমেক পরিচালকের অপসারণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গাভী পালন প্রশিক্ষণের উদ্ধোধন রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী রমেকে পরিচালকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল লালমনিরহাটে সাবেক এমপির ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

রংপুরের পীরগঞ্জে ১৭তম স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ২২ বার পঠিত

রংপুরের পীরগঞ্জে ১৭তম স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মোঃ সাকিব চৌধুরী,

রংপুর মহানগর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের পীরগঞ্জে ১৭তম স্ত্রী তানজিনা বেগমকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী আবু সাঈদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩–এর বিচারক এম আলী আহমেদ বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে এ রায় দেন। ঘটনার ১৬ বছর পর তানজিনা হত্যা মামলায় আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আবু সাঈদ পলাতক। মামলার অপর আসামি আবু সাঈদের ১৮তম স্ত্রী তাছকিরা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে তাছকিরা বেগমও পলাতক।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা যায়, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার অনন্তরামপুর গ্রামের তাজিম উদ্দিনের মেয়ে তানজিনা খাতুনের সঙ্গে ওই উপজেলার পালগড় গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে আবু সাঈদের বিয়ে হয়। তানজিনা তাঁর ১৭তম স্ত্রী ছিলেন। পরে আবু সাঈদ তাছকিরা বেগম নামের আরও এক নারীকে বিয়ে করেন। ২০০৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ১৫ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে আবু সাঈদ তাঁর স্ত্রী তাছকিরার সহযোগিতায় তানজিনাকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পাশের ধান খেতে ফেলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পর দিন ৯ ফেব্রুয়ারি পীরগঞ্জ থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা করেন তানজিনার বাবা তাজিম উদ্দিন।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক। ৩০ জুলাই বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১০ সালের ২৬ জুলাই জামিন পেয়ে কিছুদিন আদালতে হাজিরা দেন মামলার প্রধান আসামি আবু সাঈদ। এরপর ২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে পলাতক রয়েছেন তিনি। অপর আসামি তাছকিরা বেগম ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জামিন পেয়ে ২০১৪ সালের ১৮ মে থেকে পলাতক। মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি তাজিবুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত আবু সাঈদ যৌতুকের লোভে ১৮টি বিয়ে করেন। তানজিনাকে বিয়ের সময় ২৫ হাজার টাকা যৌতুকের মধ্যে ১০ হাজার টাকা দেন তার বাবা। বাকি ১৫ হাজার টাকার দাবিতে তানজিনাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়া আবু সাঈদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Rangpur Journal
Theme Customized By Theme Park BD