1. admin@rangpurjournal.com : admin :
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার রংপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন টিসিএ – রংপুর জার্নাল স্টেপ আপ ফর টুমরো সংগঠনের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পিজিয়ন ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ফেন্সিডিলসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক – রংপুর জার্নাল হাতীবান্ধায় হেফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে টেবিল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত স্থলবন্দর শ্রমিক লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত – রংপুর জার্নাল ফাগুন – শফিউজ্জামান আতা রংপুরে চালু হলো সিটি বাস সার্ভিস পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৮০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার ২

রংপুর শহরে হোটেল গুলোতে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১১৪ বার পঠিত

রংপুর শহরে হোটেল গুলোতে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ।

 

 

মোঃ সাকিব চৌধুরী, রংপুর মহানগর প্রতিনিধিঃ

রংপুর শহরে হটাৎ করে হোটেলগুলোতে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ সাধারণ মানুষের।

তারা বলছেন, রংপুর শহরের অন্যান্য পাড়া মহল্লায় খাবারের দাম কম হলেও শহরের ভিতরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চড়া দাম রাখছেন দোকানিরা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষগন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরের অন্যান্য পাড়া মহল্লায় দোকানগুলোতে সিঙ্গারার দাম ৫ টাকা রাখা হলেও শহরের ভিতরের হোটেল গুলোতে সিঙ্গারার দাম ১০-১৫ টাকা রাখা হচ্ছে। চপের দাম বাহিরে ৫ টাকা হলেও শহরে ১০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এমন চিত্র শহরের সব দোকানেই দাম বেশি রাখছেন বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

রংপুর প্রাণ কেন্দ্র শহর জাহাজ কোম্পানি মোড়ে পলাশ হোটেলে সিঙ্গারার দাম ১০ টাকা, পুরির দাম ১০ টাকা রাখা হচ্ছে যেখানে বাহিরে ৫ টাকায় পাওয়া যায় এসব সিঙ্গারা-পুরি। পিয়াজুর দাম ৭ টাকা রাখলেও সাইজ অনেক ছোট। চায়ের দাম ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকায় বিক্রি করছেন পলাশ হোটেলের মালিক। সকালের নাস্তা পরোটা ও ভাজিতেও দাম বাড়ানো হয়েছে। পরোটার সাইজ আগের থেকে অনেক ছোট করাও হয়েছে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, শহরের বেশ কিছু হোটেলগুলোতেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে খাবার। দেড় প্লেট ভাত খেতে লাগছে ৩৫ টাকা যা বাহিরে ২০-২৫ টাকায় পাওয়া যায়। সবরকম তরকারিতেও দাম বাড়িয়ে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফুটপাত গুলোতেও রাখা হচ্ছে চড়া দাম। প্রতি পিস ডিমের দাম ১০ টাকা হলেও ডিমভাজি করে ১৮-২০ টাকা বিক্রি করছেন দোকানিরা। প্লেট প্রতি খিচুড়ি রাখা হচ্ছে ২০ টাকা যা বাইরে ১৫ টাকায় পাওয়া যায়।

তবে রংপুরের প্রশাসনের তদারকির অভাবেই এমনটা হচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

মেসে থাকা এক শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, শহরে প্রশাসন যদি নিয়মিত এসব দোকানের তদারকি করতেন তাহলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দাম বেশি রাখার সাহস পেতো না এসব হোটেল মালিকরা। প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

হোটেলে দুপুরে খাবার খেতে আছা রুবেল ইসলাম বলেন, শহরের মধ্যে খাবারের দাম অন্যান্য পাড়া মহল্লায় থেকে বেশি। এটা নিয়ে প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তাছাড়াও আমাদের এলাকার থেকে একটু গ্রাম এলাকায়  হোটেলগুলোতে খাবারের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। শহরে প্রশাসন হোটেল মালিকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনলে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে।

এক মার্কেটিং সেলস ম্যান জব্বার মিয়া বলেন, শহরে  অধিকাংশ মানুষ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা। শহরের একটু বাইরে কম টাকায় খাবার পাওয়া গেলেও শহরের ভিতরে পাওয়া যায় না। সিঙ্গারা, পুরি, চপ, পিয়াজু বাইরে অনেক কম দামে পাওয়া যায়। কিন্তু শহরের ভিতরে এসব খাবারের পরিমাণও ছোট এবং দামও বেশি নিচ্ছে দোকানিরা। দ্রব্যের দাম বাড়লেও আমাদের পরিবারের মাসিক আয় কিন্তু বাড়ছে না।

পলাশ হোটেলের মালিকের ছেলে পাপ্পু বলেন, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির ফলে আমাদের কিছুটা দাম বাড়াতে হয়েছে। তবে বাইরের থেকে বেশি বাড়ানো হয়নি। যদি দ্রব্যের দাম কমে তাহলে আমরাও খাবারের দাম কমাবো।

এ বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা যায়, এরই মধ্যে আমরা বিষয়টি শুনেছি। সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালাবো। অন্যান্য পাড়া মহল্লায় খাবারের দাম যাচাই করে শহরের ভিতরে খাবারের মূল্যের সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ করে দিবো। তার জন্য আমাদের আগে বাইরের খাবারের দাম সম্পর্কে জানতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Rangpur Journal
Theme Customized By Theme Park BD