1. admin@rangpurjournal.com : admin :
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাট জেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- গোলাম মোস্তফা স্বপন পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বসুনিয়া লালমনিরহাট সদর উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – এরশাদুল করিম রাজু লালমনিরহাট সদর উপজেলাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – ফেরদৌসী বেগম বিউটি ঈদ উপলক্ষে পাটগ্রামে ২৭,৭২০ পরিবারের মধ্যে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রোযায় সাবধানে পথ চলি- ধ্রুবক রাজ নেতা মুজিব – ডাঃ মোঃ মাহাতাব উদ্দীন উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করলেন শ্যামল

রংপুরে ৬২ বছর থেকে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে “সিঙ্গারা হাউস “

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৪ বার পঠিত

রংপুরে ৬২ বছর থেকে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে “সিঙ্গারা হাউস ”

মোঃ সাকিব চৌধুরী, রংপুর মহানগর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের ‘সিঙ্গারা হাউস’ নামে একটি খাবারের দোকান টিকে আছে ৬২ বছর থেকে নেহাত কম নয়। সেই ১৯৬০ সালে শুরু, স্বাধীনতার আগে। উত্তরের জেলা রংপুরের ব্যস্ততম এলাকা হাঁড়িপট্টি রোডে কালীবাড়ির পাশে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সিঙ্গারা হাউস’। এই সিঙ্গারা দোকান এখন শুধু একটি আড্ডার জায়গা নয় বরং রংপুর জেলার ঐতিহ্যও। একটি খাবারের আইটেম দিয়ে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ বহন করে চলেছে এটি।

দোকানটির কোনো আড়ম্বর নেই। এখনো চলছে সেই পুরোনো ধাঁচে। টিনশেডের সঙ্গে কাঠের সিলিং। দেওয়াল পাকা। সারাদিনই ভিড় জমান সিঙ্গারাপ্রেমীরা। তবে সন্ধ্যার পর গল্প-আড্ডায় হয়ে ওঠে জাঁকজমক। পূজা-পার্বনে আরও বেশি জমে ওঠে দোকানটি। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে খেয়ে যায় এখানকার সিঙ্গারা। ২০২১ সালের নভেম্বরে রংপুর সফরের সময় দোকানটিতে সিঙ্গারা খেতে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের তৎকালীন হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

জানা যায়, ১৯৬০ সালে রংপুরের এই ‘সিঙ্গারা হাউস’ প্রতিষ্ঠা করেন কানাই লাল সরকার। তার মৃত্যুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হাল ধরে আছেন তার ছেলে ভবতোষ সরকার।

স্থানীয়দের মতে, প্রতিষ্ঠানটি সেই ৬২ বছর ধরে একইভাবে চলেছে। স্বাধীনতার আগে এখানে বিশিষ্ট নাগরিকদের আড্ডা ছিল বলেও জানান স্থানীয়রা। দূর-দূরান্তের লোকজন রংপুরে এলে এখানকার সিঙ্গারার স্বাদ নিতে আসেন। আর রংপুরের যার জীবিকার প্রয়োজনে জেলার বাইরে থাকেন, তারাও রংপুরে এলে একবার এই দোকানে আছেন।

সম্প্রতি ‘সিঙ্গারা হাউস’ ঘুরে দেখা যায়, সিঙ্গারাপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় দোকানটিতে। দোকানের বাইরে অপেক্ষমাণ অনেকে। অপেক্ষা বসার জায়গা খালি হওয়ার। ছোট্ট একটি দোকান। সেই পুরোনো আবহ ধরে রেখেছে দোকানটি।

এখানে খেতে আসা সিঙ্গারাপ্রেমীরা জানান, এখানের সিঙ্গারা অন্যান্য সিঙ্গারা থেকে আলাদা। আকারে ছোট এ সিঙ্গারা, তবে স্বাদ অনন্য।

দোকানের শুরুতে এক টাকায় চারটি সিঙ্গারা বিক্রি হতো এখানে। এখন প্রতি প্লেট সিঙ্গারার দাম ১৫ টাকা। এক প্লেটে থাকে তিনটি। এছাড়াও দোকানটিতে পাওয়া যায় লাচ্ছি, মিষ্টি, রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম, সন্দেশ, রসমালাই, লাড্ডু, নিমকি ও সাধারণ নাস্তা।

প্রতিষ্ঠানের মুখেই একটি টেবিলে বসেন ‘সিঙ্গারা হাউজের’ স্বত্বাধিকারী ভবতোষ সরকার। তিনি বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে দোকানের হাল ধরেছি। পাকিস্তান আমলে আইন পাস করেছি। কোনো চাকরি-বাকরি করিনি। বাবার এই প্রতিষ্ঠানেই জীবন কাটিয়ে দিলাম। বর্তমানে দুই মেয়েকে উচ্চশিক্ষিত করেছি। বড় মেয়ে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি পড়ে বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে আইন পেশায় যুক্ত। ছোট মেয়ে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করেছে।

তিনি বলেন, এখানকার খাবারের স্বাদ যাতে সব মানুষ পায় তাই দাম বাড়াইনি। এভাবেই চলছে। মসলা, সবজি, কারিগরসহ সব খরচ মিলিয়ে আমার অতিরিক্ত লাভ হয় না।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সঞ্জয় সরকার জানান, তিনি এখানে প্রায় ১০ বছর ধরে কাজ করেন। বিশেষ মসলা দিয়ে এখানকার সিঙ্গারা পুর হিসেবে আলু-সবজি রান্না হয়। সঙ্গে ক্রেতাদের দেওয়া হয় চাটনি, যা মানুষের অনেক বেশি পছন্দ এবং স্বাদে আনে বৈচিত্র্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Rangpur Journal
Theme Customized By Theme Park BD