1. admin@rangpurjournal.com : admin :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন টিসিএ – রংপুর জার্নাল স্টেপ আপ ফর টুমরো সংগঠনের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পিজিয়ন ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ফেন্সিডিলসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক – রংপুর জার্নাল হাতীবান্ধায় হেফজ বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে টেবিল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত স্থলবন্দর শ্রমিক লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত – রংপুর জার্নাল ফাগুন – শফিউজ্জামান আতা রংপুরে চালু হলো সিটি বাস সার্ভিস পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৮০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার ২ রংপুরে ইউনিসেফ এবং সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আমি ঋণী যারা আমাকে পিটিয়ে মানুষ বানিয়েছেন, মাহবুব কবীর মিলন

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০২২
  • ১৩২ বার পঠিত

 

নিউজ ডেস্ক

 

 

আমার মেয়ের এক শিক্ষক আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। তিনি গুরুতর অসুস্থ। ব্রেন টিউমার। যতটুকু পারি, সাহায্য করা আমার জন্য ফরজ। তিনি আমার বাচ্চার শিক্ষক। যারা আমার বাচ্চাকে ভালো মানুষ বানাতে সাহায্য করেছেন, ভালো কিছু শিখিয়েছেন, ভালোবোধ জাগ্রত করে দিয়েছেন, ভালো চিন্তার উন্মেষ ঘটিয়েছেন, ভালোকে ভালো, মন্দকে মন্দ বলতে শিখিয়েছেন, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন…. আমি ঋণী তাদের কাছে।

আমি কৃতজ্ঞ তাদের প্রতিটি বিন্দুবিন্দু সাহায্য আর পদক্ষেপের জন্য, যা আমার বাচ্চার জন্য মঙ্গল আর কল্যাণ বয়ে এনেছিল। যা রহমত, নেয়ামত আর বরকত হিসেবে ঢেলে দিয়েছেন মহান আল্লাহপাক।

যারা আমার বাচ্চাকে প্রথম দিন পরম যত্ন আর ভালোবাসা দিয়ে বরণ করে নিয়েছিলেন স্কুলে এবং যারা চোখের পানি দিয়ে বিদায় দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, আমি ঋণী আর কৃতজ্ঞ তাদের কাছে।

আমি ঋণী তাদের কাছে, যারা আমাকে পিটিয়ে মানুষ বানিয়েছিলেন। আজীবন সততা আর অবিক্রীত থাকার গৌরব অর্জনের পুরো ক্রেডিট আমার সব শিক্ষকের। আমার বাবা-মা তাদের শুধু তুলে দিয়েছিলেন তাদের হাতে আমাকে।

মনে পড়ে মেট্রিক দেবার আগে-আগে স্কুলের একজন স্যার আমার গৃহশিক্ষক ছিলেন। একদিন সন্ধ্যায় বাসায় পড়াবার সময় হঠাৎ তার রক্তবমি শুরু হলো। তাকে কাঁধে করে তিনতলা থেকে নেমে বেবিট্যাক্সি করে মেডিকেলে নিয়ে গিয়েছিলাম। সমস্ত জামাকাপড় ভিজে গিয়েছিল তার রক্তে। ডাক্তার বলেছিলেন, দেরি হলে তাকে হয়তো বাঁচানো যেত না।

সেদিন বুঝিনি, এখন মর্মে উপলব্ধি করি, একজন শিক্ষককে সাহায্য করতে পারার আনন্দ আর তৃপ্তি কী জিনিস!!

সব শিক্ষক স্যাররা ভালো থাকুন। স্কুলের প্রথম ক্লাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত, সবাই আমার সম্মানিত স্যার। আমি ঋণী তাদের কাছে।

আপনারা আদর্শ হয়ে থাকুন আমাদের সন্তানদের কাছে। ভিলেন বা শয়তানরূপে নয়।’’

(অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলনের ফেসবুক স্ট্যাটাস)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Rangpur Journal
Theme Customized By Theme Park BD